মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ইতিহাসে মোগলহাট ইউনিয়ন

Date Posted: মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী , ২০১২. বাংলা- 25 Magh 1418

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশী প্রান্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূর্য ডুবে যায়। সিরাজ-উদ-দৌলা পতনের পর  মীর জাফর বাংলার মসনদে বসলেও তিনি স্বাধীন ছিলেন না। তিনি ছিলেন ইংরেজদের পুতুল। তার কাজ ছিল শুধু ইংরেজদের সীমাহীন দাবী পূরন করা। মীর জাফরের উপর ইংরেজদের অত্যাচার বেড়ে যাবার পর তিনি অসহ্য হয়ে ওলন্দাজ বণিকদের সাথে গোপনে আঁতাত করেন। বিষয়টা জানতে পেরে ইংরেজ সেনাপতি ক্লাইভ ১৭৫৯ সালের ২৫ অক্টোবর বিদেরার যুদ্ধে মীরজাফরকে পরাস্ত করে ক্ষমতাচ্যুত করে ১৭৬০ সালে তার জামাতা মীর কাশিমকে ক্ষমতায় বসানো হয়। ১৭৬৩ সালে নবাব মীর কাশিম ইংরেজ কুঠিয়াল এলিস সাহেবের বিরুদ্ধে কাটোয়া, গিরিয়া, উদয়নালা, মুঙ্গের, মুর্শিদাবাদ ও সুটির যুদ্ধে পর পর পরাজিত হয়ে ক্ষমতা হারান। একই সালের জুলাই মাসে বৃদ্ধ মীরজাফরকে আবার ক্ষমতায় বসানো হয়। ১৭৬৪ সালে পরাজিত মীর কাশিম অযোধ্যার নবাব ওয়াজির সুজা-উদ্-দ্দৌলা ও মুঘল সম্রা্ট দ্বিতীয় শাহ আলমের সঙ্গে মিলিত হয়ে বক্সার প্রান্তরে ক্লাইভের সুদক্ষ সেনাপতি মেজর হেক্টর মনরোর মুখোমুখি হন। এ যুদ্ধে পরাজিত মীর কাশিম পালিয়ে জঙ্গলে আশ্রয় নেন এবং শাহ আলম ও সুজা-উদ-দৌলা ইংরেজদের কাছে আত্মসমর্পন করেন (নবাব বাকের মোহাম্মদ নূরউদ্দিন জঙ্গ বা নূরলদীন সম্রাট শাহ আলমের চাচাতো ভাই ও ভগ্নিপতি বলে কেউ কেউ দাবী করলেও ইতিহাসে এর সত্যতা পাওয়া যায়নি তবে তিনি যে রংপুর অঞ্চলের ছোটখাট জোতদার এবং বসুনিয়া বা কৃষক নেতা ছিলেন সেটা নিশ্চিত হওয়া গেছে)।

বক্সার যুদ্ধের পর পরই অর্থ্যাৎ ১৭৬৫ সালেই বাংলার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর হাতে চলে যায়। ইংরেজদের ক্ষমতা গ্রহণের কুফল উত্তরাঞ্চলের জেলাসমূহের মধ্যে দেখা যায়। দিনাজপুর, রংপুর ,জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার প্রজা ও কৃষকরা ইংরেজ শাসনের যাতাকলে পিষ্ট হতে থাকে। ইংরেজরা কুখ্যাত ও অত্যাচারী দেবীসিংহ রংপুর দিনাজপুর ও এদ্রাকপুর পরগণার রাজস্ব আদায়ের ইজারাদার নিয়োগ করেন। চতুর দেবীসিংহ অধিক অর্থ বা রাজস্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে হরেরাম সেনকে তার সহকারী হিসেবে বেছে নেন। রংপুরের কালেক্টর রিচার্ড গুডল্যাড দেবী সিংহকে রংপুর অঞ্চলের দেওয়ান পদে ও ডিমলা জমিদারি প্রতিষ্ঠাতা হরেরাম সেনকে তার সহকারী নিয়োগ করে প্রজা ও কৃষকদের পীড়ন শুরু করেন। এ সময়ে অর্থ্যাৎ ১৭৭০ খৃষ্টাব্দে (১১৭৬ বাংলা/ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর) এ অঞ্চলে এক ভয়াবহ দুভিক্ষ দেখা দেয় এবং এ সময় আনুমানিক এককোটি লোক প্রান হারায়। লোক কমে যাবার কারণে এই এলাকার জমিদারগণের আয়ও কমে গিয়েছিল। ১৭৭২ সালে পাঁচসনী বন্দোবস্তের সময় লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংসের নিকট সকল জমিদারকেই বেশী টাকা জমায় জমি নিতে হয়েছিল। অনেক জমিদারই পৈতৃক জমিদারী ছাড়তে পারেন নাই আবার অতিরিক্ত টাকাও কোম্পানীকে দিতে পারেন নাই। এরপ অবস্থায় জমা আরো বৃদ্ধি হলে প্রকৃতপক্ষে  জমিদারগণের তা দেয়ার ক্ষমতা ছিল না।

কোম্পানীর রোকারিতে খাজনা বৃদ্ধি করা নিষেধ থাকা পরেও দেবী সিং এই অঞ্চলের সকল জমিদারকে তলব করলেন। সকল জমিদারই অতিরিক্ত খাজনা দিতে অস্বীকার করলেন। তখন হররাম সেন তাদেরকে চাবুক মারার আদেশ দিলেন এবং গরু গাড়িতে চড়ে ঢাক ঢোল পিটিয়ে নগন প্রদক্ষিন করতে বললেন। তখনকার দিনে এরকম হলে তাকে জাতিচ্যুত হতে হতো। কোন কোন জমিদারকে এভাবে অপমানও করা হয়েছিল। কোন কোন জমিদারকে বেতের আঘাতও সহ্য করতে হয়েছিল। এরপর সাধারন কৃষকদের উপর শুরু হয় অকথ্য অত্যাচার। কৃষকগণ এসব অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দলে দলে গ্রাম ছাড়তে শুরু করে। কৃষকরা যাতে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে না পারে সেজন্যও হররাম সেন গ্রামে গ্রামে পাহারা বসায়। আবার পাহারাদারদের বেতন দেয়ার জন্য কৃষকদের উপর ‘চৌকিবন্দি’ নামে নতুন কর বসানো হয়। এভাবে দেবীসিং কৃষকদের উপর একুশ প্রকারের কর আরোপ করে।

কৃষকদের কাছে খাজনা আদায়ের এক পর্যায়ে স্বাধীনচেতা যুবক নূরলদীন দেবীসিংয়ের তহশীলদারকে খাজনা দিতে অস্বীকার করে এবং তাদের লোকজনকে প্রহার করে ফেরৎ পাঠায়। এ ঘটনার পর পরই অন্যান্য কৃষক ও প্রজারা নূরলদীনের কাছে পরামর্শ চায়। নূরলদীন তার সঙ্গী বয়স্ক জোতদার দয়াল চন্দ্র শীল কৃষকদের নানা ভাবে সাহায্য করতে থাকে। ইংরেজ বাহিনীর অত্যাচারীদের হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য নূরলদীন ও দয়াশীল কৃষকদেরকে সংগঠিত করার চেষ্টা করে। এ পর্যায়ে পরলোকগত একজন বড়জোতদার ও ধনাঢ্য ব্যাক্তির কন্যা লালমনি কৃষকদের উপর এ অত্যাচার প্রত্যক্ষ করে ব্যথিত হন। তিনি নূরলদীনকে গোপনে তার বাড়ীতে ডেকে আনেন এবং এ কৃষক আন্দোলনে অর্থ কড়ি সহ সকল বিষয়ে সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন। আস্তে আস্তে লালমনি নূরলদীনের ঘনিষ্ঠ সহচরে পরিনত হতে থাকেন। নূরলদীনের তখন আন্দোলন ছাড়া আর অন্য কিছু চিন্তা করার সময় থাকে না কিন্তু লালমনি আন্দোলনের পাশাপাশি নূরলদীনকে গভীর ভাবে ভালোবাসতে থাকে। তাদের মধ্যে এক অন্যরকম ভালবাসার সৃষ্টি হয়।

এরই মধ্যে ইটাকুমারীর রাজা শিবচন্দ্র দেবীসিংহের রাজস্ব দিতে অস্বীকার করলে দেবীসিংহ ও হররাম সেনের লাঠিয়াল বাহিনী শিবচন্দ্রকে গ্রেফতার করে রঙ্গপুরের মীরগঞ্জে দেবী সিংহের কুঠিবাড়ির অন্ধকার ঘরে আটকিয়ে রেখে শারীরিক নির্যাতন করতে থাকে। এ শিবচন্দ্রের স্ত্রী অন্যান্য জমিদারদের স্ত্রীকে সাথে নিয়ে সাবিত্রীব্রত পালন করেন। মন্থনার জমিদারনী দেবী চৌধুরানী ও সন্নাস আন্দোলনের নেতা ভাবানী পাঠকের সহায়তায় অনেক টাকা রাজস্ব দিয়ে রাজা শিবচন্দ্রকে মুক্ত করে আনা হয়। রাজা শিবচন্দ্রের মুক্ত হবার পর ইটাকুমারীতে দেবীসিংহ ও ইংরেজদের হাত রক্ষা পাবার জন্য সমমনা জমিদারগন, দেবী চৌধুরানী, ভবানী পাঠক, নূরলদীন, লালমনি, দয়াশীল সহ অনেকের সাথে বৈঠক হয় এবং সে বৈঠক থেকেই প্রজা ও কৃষক বিদ্রোহের সূচনা হয়। সমমনা জমিদারগণ নূরলদীনকে তার আন্দোলনের সব রকমের সহায়তা দানের আশ্বাস দেন। তারপর দিনাজপুর, কুচবিহার, জলপাইগুড়ি থেকে বিদ্রোহী কৃষকরা নূরলদীনের দলে যোগ দিতে থাকে আর আর সমৃদ্ধ হতে থাকে নূরলদীনের দল। সংগঠিত কৃষকরা তখন নূরলদীনকে তাদের নবাব এবং দয়াল চন্দ্র শীল বা দয়াশীলকে দেওয়ান   বলে ঘোষনা দেয়। নবাব হবার পর নূরলদীন দেবীসিংহকে কর বা রাজস্ব না দেওয়ার জন্য আদেশ জারী করেন এবং বিদ্রোহের ব্যয় মেটানোর জন্য সামান্য ডিং নামে ধার্য করেন। এরপর কৃষক প্রজারা নূরলদীন,ভবানী পাঠক, দেবী চৌধুরানী প্রমুখের নেতৃত্বে একত্রিত হতে থাকে এবং ইটাকুমারী,ধুমেরকঠি,নাপাইচন্ডি, সন্নাসীর মঠ সহ অনেক গহীন বনে সশস্ত্র শিক্ষা গ্রহণ চালিয়ে যায়। তারা জমিদার ও ইংরেজ সহযোগীদের ধন সম্পদ লুঠ করে তা ক্ষুধার্ত প্রজাদের মধ্যে বিতরন শুরু করে।

এরই মধ্যে টেপা পরগনার রামমোহন রায় চৌধুরীর বিধবা স্ত্রী জয়মনি দেবী তার নাবালক পুত্র আনন্দ মোহনের পক্ষে জমিদারি চালাচ্ছিছেলন। তিনি প্রজাদের দুরবস্থা দেখে খাজনা তোলা বন্ধ রাখেন। এমতবস্থায় বকেয়া রাজস্ব আদায়ের জন্য ইজারাদার দেবী সিংহ মহিলা লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে জমিদারবাড়ীর ভিতরে গিয়ে মহিলাদের সোনা গহনা সহ সকল মালামাল লুট করে নিয়ে যায় এবং মহিলাদেরকে লাঞ্ছিত করে। তারপর তারা টেপা পরগণায় রাজস্ব আদায়ের জন্য গোকুল মেহতাকে নিয়োগ দেন। গোকুল মেহতা সেখানকার কৃষকদের উপর খাজনা আদায়ের নামে অত্যাচার শুরু করলে নূরলদীন তার বাহিনী নিয়ে টেপা পরগণা আক্রমন করে এবং গোকুল মেহতাকে মেরে ফেলে।

এরপর ডিমলায় নুরলদীনের নেতৃত্বে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। সে যুদ্ধে নূরলদীন অত্যাচারী ও রাজস্ব আদায়কারী গৌর মোহন চৌধুরীকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং এই পরগণার অন্যান্য রাজস্ব কাচারী সমূহ লুট করে আগুন জ্বেলে দেয়। এভাবে নূরলদীন বাহিনী সংঘবদ্ধভাবে বিদ্রোহী হয়ে জমিদারের নায়েব,গোমস্তা,তহশীলদার ও অন্যান্য রাজস্ব আদায়কারী কর্মচারীদের হত্যা শুরু করে। ইংরেজ বাহিনী সমঝোতার প্রস্তাব দিলে বিদ্রোহীরা ইজারাদারদের বিরুদ্ধে এক স্মারকলিপি পেশ করে। কিন্তু ইংরেজদের পক্ষ থেকে কোন প্রতিকারের লক্ষন না পেয়ে কৃষকরা আবার সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হয়।

চাকুরীচ্যুত সিপাহীদল, কোচবিহারের বিদ্রোহী পলাতক প্রজা এবং রংপুর দিনাজপুর, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির বিদ্রোহী প্রজার সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৫০ লক্ষ। তারা বর্তমান বর্তমান লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামে অবস্থান করছিল। ইংরেজ সমর্থিত জমিদাররা তখন প্রানভয়ে আত্মগোপন করে। অবস্থা বেগতিক দেখে লর্ড ওয়ারেন হেষ্টিংস নিজেই রঙ্গপুরের কালেক্টর রিচার্ড গুডল্যাডকে সামরিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সেনাপতি ম্যাকডোনাল্ডকে রঙ্গপুরে পোষ্টিং দেন। সেনাপতি ম্যাকডোনাল্ড  অতি ক্ষিপ্ত গতিতে মোগলহাটের দিকে অগ্রসর হন। নূরলদীনের দল তখন দুভাগে বিভক্ত ছিল। প্রথমদলে নবাব নূরলদীন, লালমনি ও তার দেওয়ান দয়াশীলের নেতৃত্বে কিছু সংখ্যক প্রজা পাটগ্রাম থেকে সাহায্যকারী দলের জন্য অপেক্ষা করছিল। কিন্তু ইতিপূর্বে ইংরেজ গুপ্তচর রমাকান্ত মুন্সি জমিদারির লোভ দেখিয়ে অলকা ও পবিত্রা নামের দুজন স্ত্রীলোককে সন্নাসীদল থেকে ভাগিয়ে নিয়ে যায়। এই দুই মহিলা নূরলদীনের সাথে ছিল। তারাই প্রতারনার জাল বিস্তার করে নূরলদীন বাহিনীকে মোগলহাটে গোপনে অবস্থিত সুসজ্জিত ইংরেজ বাহিনীর কাছে নিয়ে যায়। অপরদিকে নূরলদীনের সাথে কতজন সৈন্য আছে সেটা আন্দাজ করতে না পেরে ইংরেজ বাহিনী তার সৈন্যদের কৃষকদের পোষাক পরিয়ে নূরলদীন বাহিনীর পিছনে পাঠিয়ে দেয়। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে নূরলদীন, লালমনি ও দয়াশীল সহ তার বাহিনী সামনাসামনি যুদ্ধে অবতীর্ন হয়। কিন্তু একজন ইংরেজ সৈন্য পিছন দিক থেকে এসে নূরলদীনকে অর্তকিতে হামলা চালায়। নূরলদীন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। লালমনি তাকে যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে সরিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। দয়াশীল বীরের মতো যুদ্ধ করতে করতে মৃত্যুবরণ করেন।

লালমনি আহত নূরলদীনকে তিস্তা নদী তীরবর্তী এলাকায় নিয়ে গিয়ে সেবা শুশ্রসা করতে থাকে। নূরলদীনের প্রতি তার গভীর মমত্ববোধের সৃষ্টি হয়। এদিকে ইংরেজ বাহিনী হন্যে হয়ে নূরলদীনকে খুঁজতে থাকে। উপায় না দেখে লালমনি গভীর রাতে তিস্তা নদী পার হয়ে মিঠাপুকুরের কাছে  ফুলচৌকি নামক জায়গায় নূরলদীনের এক আস্তানায় নিয়ে আসে। নূরলদীনের শরীরের অবস্থা অবস্থা আস্তে আস্তে খারাপ হতে থাকে। আন্দোলন সংগ্রামে বিরামহীন আর বিশ্রামহীন নূরলদীন বুঝতে পারে যে লালমনি তাকে কি পরিমান ভালবাসতো। জীবনের শেষ সময় নূরলদীন লালমনির ভালবাসা বুঝতে পারে। লালমনির জন্যে আর এদেশের হতভাগা কৃষকদের জন্য তার বেঁচে থাকার আকুতি যখন প্রবল হতে থাকে তখনই নূরলদীনের মৃত্যু হয়। নূরলদীনের মৃত্যুর পর হতভাগ্য লালমনি নূরলদীনের শোকে আর ইংরেজদের হাতে ধরা পরা এড়াতে আত্মহনন পথ বেছে নেয়।

ইতিহাস খ্যাত কৃষক প্রজা বিদ্রোহের সবচেয়ে উত্তপ্তময় সময় ছিল ১৭৭০ সাল থেকে ১৭৮৩ সাল পযর্ন্ত । ১৭৮৩ সালের প্রথম দিকে কৃষক আন্দোলনের এই মহান নেতা নবাব নূরলদীন মৃত্যু বরণ করেন।

সহায়ক সূত্রঃ

১. The Administration of East India Company-J.W.Keye.London

২. Bangladesh District Gaztteer, Rangpur,1977

৩. ভারতের ইতিহাস -শ্রী অতুল চন্দ্র রায়।

৪. কোচবিহারের ইতিহাস- আমানতউল্লাহ খান চৌধুরী।

৫. ভারতের কৃষক বিদ্রোহ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম- সুপ্রকাশ রায়।

৬. রংপুর জেলার ইতিহাস-সম্পাদনা জেলা প্রশাসক রংপুর।

৭. রঙ্গপুরের প্রাচীন ইতিহাস (প্রথম খন্ড)- মুহম্মদ মনিরুজ্জামান।

৮. চার শতাব্দীর লালমনিরহাট-ড.মুহম্মদ মনিরুজ্জামান।

৯. পলাশী যুদ্ধোত্তর আযাদী সংগ্রামের পাদপীঠ-হায়দার আলী চৌধুরী।

১০. লালমনিরহাট জেলার ইতিহাস  মোঃ আশরাফুজ্জামান মন্ডল (সবুজ)।

১১. দেবী চৌধুরানী (উপন্যাস) বঙ্কিম চন্দ্র চট্রোপাধ্যায়।

১২. নূরলদীনের সারাজীবন (কাব্যনাট্য) সৈয়দ শামসুল হক।

১৩. বাংলাদেশ ইতিহাস পরিক্রমা (প্রাচীন ও মধ্যযুগ)- কে.এম রাইছ উদ্দি খান।

১৪.বাংলাদেশের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস- মোনায়েম সরকার।

১৫.বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস-

১৬. বংশ পরিচয় (দ্বিতীয় খন্ড)- শ্রী জ্ঞানেন্দ্র নাথ সঙ্কলিত।

১৭. আবার জেগেছে জঙ্গপুর (স্মরনিকা) নবাব নূর উদ্দিন বাকের জঙ্গ ইতিহাস পরিষদ, রংপুর।

বিশেষ সহায়তা

১.মোঃ আশরাফুজ্জামান মন্ডল (সবুজ) লালমনিরহাট রত্ন। প্রতিষ্ঠাতা লালমনিরহাট জাদুঘর।

২. মোঃ মমতাজ উদ্দিন, নবাব নূর উদ্দিন বাকের জঙ্গ ইতিহাস পরিষদ, রংপুর।

-শৌর্য দীপ্ত সূর্য

কথা সাহিত্যিক ও নাট্যকার।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter